"> জন কেরিকে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী জন কেরিকে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী – News vision
  1. admin@newsvision.us : admin :
  2. info@newsvision.us : newsvision :
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

জন কেরিকে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ভিশন ডেস্ক ::
  • পোষ্ট করেছে : শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭০ জন দেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় জন কেরির হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি সংস্করণসহ কয়েকটি বই উপহার হিসেবে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বিকেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জন কেরির হাতে এ বই তুলে দেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু পরিবর্তন কূটনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

তিনি বলেন, ‘প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসা জলবায়ু কূটনীতির ক্ষেত্রে নতুন গতির সঞ্চার করবে।’

এর আগে জন কেরি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভারতের দিল্লি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। জন কেরিকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এসময় সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রেস ব্রিফিং করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশে যে উদারতা দেখিয়েছে তার প্রশংসা করেন ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক দূত জন কেরি। তিনি বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশের একার দায় নয়। বরং জাতিসংঘসহ সকল দেশকে এই দায় নিতে হবে।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট ও বর্তমানে মিয়ানমারে যা চলছে সেটি মোকাবিলা করা নৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এ সংকট কীভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে বাইডেন প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

চার ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় এসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতদের সাথে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি।

এসময় তিনি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক,এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক, আইএমএফ এর স্থানীয় প্রধান এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ও ইউএসএইড এর প্রতিনিধি জন স্মিথ শ্রিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া এবং জামানের হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতগণ।

আজ শুক্রবার সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা পৌঁছান জন কেরি। এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। মাত্র চারঘণ্টার সফর শেষে আজই ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।

আগামী ২২ এপ্রিল ভার্চুয়ালি শুরু হতে যাওয়া জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকায় এসেছেন জন কেরি। এই সম্মেলনে বিশ্বের ৪০ টি দেশের রাষ্ট্র কিংবা সরকার প্রধান ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করবেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক, যুক্তরাষ্ট্রর গুরুত্ব

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র কতটা গুরুত্ব দেয়, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরির এই সফর তা তুলে ধরেছে।’

তিনি বলেন, নভেম্বরে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) ২৬তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ২৬) অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে, এই সফরের অংশ হিসেবে আবুধাবি ও নয়াদিল্লিতেও যাত্রা বিরতি করবেন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত কেরি।

শুক্রবার ঢাকায় জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একটি গোলটেবিলে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিশেষ দূত কেরি। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারের সরকারি বাসভবনে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনা শেষে গণমাধ্যমে মার্কিন দূতাবাসের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২২-২৩ এপ্রিল, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের লিডার্স সামিট অন ক্লাইমেটের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই কেরির এই সফর, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বীকৃতি পাবেন। ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম ও ভালনারেবল টোয়েন্টি গ্রুপ অব ফাইন্যান্স মিনিস্টার্সের চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জলবায়ু ঝুঁকির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো ও সহনশীলতা অর্জনের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার চার ঘণ্টার সফরে ঢাকায় আসেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু-সংক্রান্ত বিশেষ দূত জন কেরি। সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং তার স্ত্রী সেলিনা মোমেন। সংক্ষিপ্ত সফরে জন কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক এবং যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

পরিবর্তন রোধে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বছরে ১০০ কোটি ডলারের তহবিল গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিশেষ দূত জন কেরির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শুক্রবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় কেরির সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় কেরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে চায়।

শুক্রবার চার ঘণ্টার সফরে ঢাকায় আসেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু-সংক্রান্ত বিশেষ দূত জন কেরি। সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং তার স্ত্রী সেলিনা মোমেন। সংক্ষিপ্ত সফরে জন কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক এবং যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

কেরি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে যুক্তরাষ্ট্রের আগের প্রেসিডেন্ট প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আবারও জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কার্যক্রমে ফিরে এসেছে।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ভিন্ন পথে হাঁটছে। এ সংকট সমাধানে বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে যাবে।

ড. মোমেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি মোকাবিলার জন্য বছরে ১০০ কোটি ডলারের তহবিল গঠন করার কথা উন্নত বিশ্বের। কিন্তু এ বিষয়ে অগ্রগতি সামান্য।

তিনি বলেন, জন কেরি এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে যখনই যে দায়িত্ব নিয়েছেন তার প্রতিটিতেই সফল হয়েছেন। এ জন্য দৃঢ় আশা থাকবে তিনি ১০০ কোটি ডলারের জলবায়ু তহবিল গঠনেও সফল হবেন।

ড. মোমেন বলেন, আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে সে সম্পর্কে জন কেরিকে জানানো হয়েছে। এছাড়া স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ-২৬ এর সময় বাংলাদেশ একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট করতে চায়। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. মোমেন বলেন, জন কেরিকে জানানো হয়েছে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের বনায়ন ধ্বংস করছে। কক্সবাজার এলাকায় পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং আর্থসামাজিক ব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে সম্মানজনক ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এ সংকটের সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা দরকার বলেও কেরিকে অবহিত করা হয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মোমেন।

সংবাদ সম্মেলনে কেরি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য সব দেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ে কাজ করতে হবে। কোনো দেশের একার পক্ষে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়। এ জন্যই মার্কিন প্রেসিডেন্ট চলতি মাসেই জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান করেছেন। এই সম্মেলনে ধনী ও বড় দেশগুলোর পাশাপাশি স্বল্পোন্নত এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতির মুখোমুখি দেশগুলোরও কথা বলার সুযোগ থাকবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানাতেই তিনি ঢাকা সফরে এসেছেন। তিনি বলেন, এখন দায়িত্ব হচ্ছে এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য উপযোগী সবুজ ও সচল রাখা। এই দায়িত্ব পালনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা

এ সময় রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের জনগণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে মার্কিন এই কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশ হলো গ্রেটেস্ট হেলপিং হ্যান্ড। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মধ্যে এক উজ্জ্বল মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত ভার্চুয়াল ক্লাইমেট সামিটে যোগদানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করতেই তার এই সফর।

আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও রাষ্ট্রদূতদের সাথে  বৈঠক

চার ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় এসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতদের সাথে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি।

এসময় তিনি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক,এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক, আইএমএফ এর স্থানীয় প্রধান এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ও ইউএসএইড এর প্রতিনিধি জন স্মিথ শ্রিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া এবং জামানের হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতগণ।

আজ শুক্রবার সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা পৌঁছান জন কেরি। এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। মাত্র চারঘণ্টার সফর শেষে আজই ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।

আগামী ২২ এপ্রিল ভার্চুয়ালি শুরু হতে যাওয়া জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকায় এসেছেন জন কেরি। এই সম্মেলনে বিশ্বের ৪০ টি দেশের রাষ্ট্র কিংবা সরকার প্রধান ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 News Vision LTD It's a TM Registered News Organization
Design & Development Freelancer Zone