"> মহামারীকালে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী মহামারীকালে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী – News vision
  1. admin@newsvision.us : admin :
  2. info@newsvision.us : newsvision :
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৫০ অপরাহ্ন

মহামারীকালে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ভিশন ডেস্ক ::
  • পোষ্ট করেছে : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১
  • ১১৩ জন দেখেছেন

বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কভিড-১৯ মহামারীতে এরই মধ্যে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ মহামারীর ধাক্কায় বিশ্ব বহু দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে। এ কঠিন সময় কাটিয়ে উঠতে আমাদের জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তিন দিনব্যাপী কাতার ইকোনমিক ফোরাম সম্মেলনে ধারণকৃত ভিডিও বার্তায় গতকাল এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

কাতার ইকোনমিক ফোরামের থিম ‘রি-ইমাজিনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’। সম্মেলনটিতে শতাধিক বিশ্ব নেতা, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও ব্যবসায়ী ভিডিও বার্তা দেন। এ সম্মেলনে দেয়া প্রধানমন্ত্রী তার ভিডিও বার্তায় বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কভিড-১৯ মহামারীর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা কভিড-১৯-এর চ্যালেঞ্জগুলো প্রত্যক্ষ করছি। সবার সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কভিড-১৯-এর প্রভাব প্রশমন করতে হবে। এজন্য সবার এক হয়ে জরুরি ভিত্তিতে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

কভিড-১৯ মহামারীকে বৈশ্বিক সংহতির জন্য একটি ‘লিটমাস টেস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্যারিস চুক্তি এবং আদ্দিস আবাবা অ্যাকশন এজেন্ডা এ সংকট থেকে উত্তরণে আমাদের জন্য ব্লু-প্রিন্ট হতে পারে।

কভিড-১৯ ভ্যাকসিন বৈশ্বিক পাবলিক পণ্য হিসেবে ঘোষণা হওয়া উচিত বলে জানান সরকারপ্রধান। উন্নয়নশীল এবং এলডিসি অনেক দেশের ভ্যাকসিন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়ার সক্ষমতা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমরা বিশ্বজুড়ে জনবহুলতা, বিশ্ববিরোধী সংবেদনশীল মনোভাব এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষাবাদের উত্থান দেখছি। বহুপাক্ষিকতাকে শক্তিশালী করতে আমাদের একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে। অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের পূর্বশর্ত হিসেবে বিশ্বের সবখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কভিড-১৯ মহামারী-পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ছয় পরামর্শ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য অর্জনে উচ্চাভিলাষী জলবায়ু পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন। ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে হবে। বৈশ্বিক বাণিজ্য ও রফতানি আয় পুনরুজ্জীবিত করতে লক্ষ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসী শ্রমিকদের পুনরায় সুসংহত করতে এ অঞ্চলের আয়োজক দেশ, ব্যবসায়ী নেতারা ও বিনিয়োগকারীদের অবদান রাখা উচিত। মহামারীর কারণে এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া দেশগুলোর সম্ভাব্য ‘স্লাইড ব্যাক’ ঠেকাতে নতুন আন্তর্জাতিক সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। সমৃদ্ধির জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সামগ্রিক একটি পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা প্রয়োজন ও মহামারীর পরও টেকসই ও সমতাভিত্তিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে প্রধানমন্ত্রী তার পরামর্শেই উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, গত এক দশকে আমরা ৬ শতাংশের বেশি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। এলডিসি থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছি। আমরা জীবন ও জীবিকার মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করছি। আমাদের সরকার এ পর্যন্ত ১৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণের বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ রয়েছে। তার দেশ বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা দিচ্ছে। কাতার এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। বিশেষত অবকাঠামো, আইসিটি, নবায়নযোগ্য শক্তি, হালকা প্রকৌশল ও ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প এবং পাট ও কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 News Vision LTD It's a TM Registered News Organization
Design & Development Freelancer Zone