"> সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী – News vision
  1. admin@newsvision.us : admin :
  2. info@newsvision.us : newsvision :
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ১১:০৪ অপরাহ্ন

সর্বোচ্চ পেশাদারী উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগ দিন : সেনা সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ভিশন ডেস্ক ::
  • পোষ্ট করেছে : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১
  • ৫৮ জন দেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবর্তিত বিশ্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে সর্বোচ্চ পেশাদারী দক্ষতা ও উৎকর্ষতা অর্জনে মনোযোগী হওয়ার জন্য আজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের সাফল্য অব্যাহত রেখে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি যে কোন ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সাভার সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫১ এমএলআরএস রেজিমেন্টে টাইগার মালটিপল লঞ্চ রকেট মিসাইল সিস্টেম (এমএলআরএমএস) সংযোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

এই টাইগার এমএলআরএমএস অন্যান্য আর্টিলারি সিস্টেমের তুলনায় কম সময়ে একই সাথে দূরবর্তী একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিদ্যমান সক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করতে এটি একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এই আধুনিক পদ্ধতি (এমএলআরএমএস) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সেনা সদস্যদের মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি করবে।’

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সাভার সেনানিবাস প্রান্তে যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
এ সময় টাইগার এমএলআরএস সম্পর্কে একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে টাইগার এমএলআরএসকে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী সেনা সদস্যদের বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণের পদক্ষেপের লক্ষ্যে এই দিনটি স্মরণীয় হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দেশের যে কোনো প্রয়োজনের সময় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে চলেছে, বিশেষ করে এখন তারা চলমান বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ফ্রন্ট লাইনার হিসেবে কাজ করছে।
শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার জন্য দেশবাসীর প্রতি তার আহ্বানের পুনরাবৃত্তি করেন।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব বিশ্বের অর্থনীতিকে থামিয়ে দিয়েছে। কিন্তু সরকার দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং এখন অর্থনৈতিকভাবে আরও উন্নত বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হবে এবং প্রতিটি পরিবার ভালো অবস্থায় বাস করবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দীর্ঘদিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকায় অর্থনৈতিকভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৮ সালে তার সরকার সেনাবাহিনীর নতুন ব্রিগেড, ইউনিট ও ব্যাটালিয়ান অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) এবং ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিআইপিএসওটি), আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ (এএফএমসি) প্রতিষ্ঠা করে।

তিনি আরও বলেন, সরকার সেনাবাহিনীতে আর্মাড পারসোনেল ক্যারিয়ারস (এপিসি), এভিসি, যুদ্ধ ট্যাঙ্ক, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত করেছে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর তারা ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রণীত ‘প্রতিরক্ষা নীতি’র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পিস বিল্ডিং সেন্টার (বিপিসি) প্রতিষ্ঠা করেছে।

 

মুজিববর্ষে দেশের সকল গৃহহীনকে ঘর করে দেওয়ার অঙ্গীকার পুণর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ২০ জুন, ২০২১ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীন-গৃহহীনদের মাঝে ৫৩ হাজার ৩৪০টি ঘর বিনামূল্যে বিতরণকালে মুজিববর্ষে দেশের সকল গৃহহীনকে ঘর করে দেওয়ার অঙ্গীকার পুণর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশের সকল ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষ ঘর পাবে। একটি মানুষও আর ঠিকানা বিহীন থাকবে না।’

জাতির পিতা এদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ একটা ঘর যখন পায়, তার মধ্যে যে আনন্দ, তাঁর মুখে যে হাসি, এর থেকে বড় পাওয়া আর কিছু নয়। আমি মনে করি, আমার জন্য এর থেকে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না।’

‘ক্ষমতা মানে ভোগ বিলাস নয়। ক্ষমতা হলো মানুষের সেবা করা। মানুষের জন্য কাজ করা,’ যোগ করেন তিনি।
গত জানুয়ারিতে প্রথম পর্যায়ে ৬৯ হাজার ৯০৪টি পরিবারকে ঘর প্রদানের পর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে এদিন আরো ৫৩ হাজার ৩৪০ পরিবারকে দুই শতক জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর উপহার দিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশের ৪৫৯টি উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন এসব মানুষকে ঘর দেওয়ার এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জমির দলিল ও ঘরের চাবি উপকারভোগীদের হাতে তুলে তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার কারণে আমি যেহেতু যেতে পারিনি। আমার পক্ষ থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য, ডিসি এবং ইউএনও জমির দলিল ও ঘরের চাবি তুলে দেবেন।’

তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্যই মানুষ। মানুষের জন্য তাঁদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে পারাটাই সব থেকে বড় কথা।’

‘আমাদের দেশটা দুর্যোগ প্রবণ একটি দেশ’-সেকথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই এই ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনকে ঘরে-বাড়ি করে দেওয়া এবং জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার মাধ্যমে পুনর্বাসনের লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘর-বাড়ি নির্মাণে আমরা প্রশাসনের ওপর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী-যাদেরকেই দায়িত্ব দিয়েছি তারা অনেক আন্তরিকতার সঙ্গে সেই কাজগুলো করেছেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

দলিলে জমির মালিকানা স্বামী ও স্ত্রীর যৌথ নামে করে দেয়া হয়েছে। তাদের নামে স্থায়ী দলিলের পাশাপাশি নামজারি করে খাজনা দাখিলাও দেয়া হয়েছে। সেমিপাকা ঘরে আছে দুটি রুম, একটি বড় বারান্দা, রান্নাঘর ও টয়লেট। পাশাপাশি সুপেয় পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও আছে। প্রকল্প এলাকায় বিদ্যালয়, খেলার মাঠ এবং মসজিদসহ ধর্মীয় উপাসনালয় ও রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশকে দারিদ্র মুক্ত করায় তাঁর সরকারের লক্ষ্য পূরণে সবথেকে বেশি যে জিনিসটির দরকার সেটি হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোড়গোঁড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
জাতির পিতা ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ১০ শয্যার হাসপাতাল তৈরীর উদ্যোগ গ্রহণ করে শুরু করেছিলেন, উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, তাঁর সরকার পরবর্তীতে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা সাধারণের নাগালের মধ্যে নিয়ে এসেছে। বর্তমানে ৩০ প্রকারের ওষুধও বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে সেখান থেকে। পাশাপাশি, মাতৃত্বকালীন সেবা, মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান ল্যাকটেটিং মাদারকে ভাতার আওতায় নিয়ে আসা এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হারও তাঁর সরকার কমাতে পেরেছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস গণভবন থেকে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। তিনি অনুষ্ঠানে ‘অন্তভূক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল’ শীর্ষক একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ৪টি উপজেলার উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন।

একসঙ্গে এত মানুষকে বিনামূল্যে বাড়ি-ঘর দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীতে নজিরবিহীন উল্লেখ করে করে ড. আহমদ কায়কাউস তাঁর উপস্থাপনায় বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে আরও ১ লাখ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৪৩৬টি ঘর রংপুর বিভাগে প্রদান করা হয়। এছাড়া, চট্টগ্রামে ১০ হাজার ৫৪৭টি ঘর, রাজধানী ঢাকায় ৭ হাজার ৬৩০টি ঘর, রাজশাহীতে ৭ হাজার ১৭২টি, ৩৭ হাজার ১৫৩টি বরিশালে, ৯১১টি খুলনায়, ২ হাজার ৫১২টি ময়মনসিংহে এবং ১ হাজার ৯৭৯টি ঘর সিলেট বিভাগে প্রদান করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ছিন্নমূল মানুষকে একটা ঠিকানা করে দেওয়ার মাধ্যমে মাথা গোঁজার একটা ঠাঁই করে দেয়ার এই প্রকল্পকে কেবল আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমেই নয়, ত্রাণ ও দুর্যোগ পুণর্বাসন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নানাবিধ প্রকল্পের মাধ্যমে ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকারের কর্মকান্ডে উৎসাহিত হয়েই সচিব এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ বেসরকারি খাতেও অনেকে এগিয়ে এসে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

তিনি এজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সবার ভেতরে এই চেতনা জেগেছে যে-ছিন্নমূল মানুষ যারা বস্তিতে, ফুটপাতে, রেললাইনের ধারে ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে মানবেতরভাবে জীবনযপন করছে সে যখন একটা আশ্রয় পায় তখন তার জীবনটাই বদলে যায়।’

তিনি এ সময় কোভিড-১৯ সহসাই যাচ্ছে না,উল্লেখ করে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টিও পুণরায় স্মরণ করিয়ে দেন।

বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি । যাতে এই ভাইরাস একজনের কাছ থেকে অপরজনকে সংক্রমিত করতে না পারে। পাশাপাশি তিনি সরকারের টিকা দান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার এবং আরো জোরেসোরে শুরু করার কথাও উল্লেখ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 News Vision LTD It's a TM Registered News Organization
Design & Development Freelancer Zone