"> হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলায় নির্ভরতা কমাতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলায় নির্ভরতা কমাতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর – News vision
  1. admin@newsvision.us : admin :
  2. info@newsvision.us : newsvision :
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:০২ অপরাহ্ন

হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলায় নির্ভরতা কমাতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

নিউজ ভিশন ডেস্ক ::
  • পোষ্ট করেছে : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
  • ৪০ জন দেখেছেন

দেশের নানা জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালে হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার তীব্র চাহিদা থাকলেও তা থেকে নির্ভরতা কমিয়ে আনতে চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের মুখপাত্র বলছেন, জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোতে নন-ইনভেনসিভ ভেন্টিলেশন পদ্ধতিতে সেবা দিতে পারলে হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসবে।

এর আগে বগুড়া, সাতক্ষীরা ও খুলনায় হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সংকটে রোগী মৃত্যুর খবর আসে গণমাধ্যমে।

বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অক্সিজেন সংকট ও সেবা নিয়ে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন।

শুরুতে তিনি জানান, সারাদেশে বিভিন্ন হাসপাতালে এখন ২৯ হাজার অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে।

রোবেদ আমিন বলেন, হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার ওপরে আমাদের ডিপেনডেন্সি কমাতে হবে। এটার সমকক্ষ সিপ্যাপ, আইপ্যাপ, বাইপ্যাপ মেশিনগুলো আছে। অতিমাত্রায় অক্সিজেন ব্যবহার না করেও আমরা রোগীদের সেবা দিতে পারব। সেজন্য আমরা চিন্তা করছি, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সারাদেশে বিশেষ করে জেলা হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরবর্তী সময়ে উপজেলা হাসপাতালেও কীভাবে দেওয়া যায়।

রোবেদ আমিন জানান, চলতি বছর এপ্রিলে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯০ মেট্রিক টন অক্সিজেন প্রয়োজন পড়েছিল। এখন লিন্ডে, স্প্রেক্টা ও নারায়ণগঞ্জের ইসলামিয়া গ্রুপ অক্সিজেন সরবরাহ করছে। পাশাপাশি আবুল খায়ের গ্রুপ থেকেও আসছে অক্সিজেন।

তবে সারাদেশে সংক্রমণ যখন ক্রমশ বাড়ছে, তখন ইস্পাত কারখানার জন্য অক্সিজেন উৎপাদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রোবেদ আমিন বলেন, আমাদের মহাপরিচালকের একান্ত ব্যক্তিগত উদ্যোগে আবুল খায়ের গ্রুপ থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার আসছে। তবে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা ২০০ টন, তারা দিচ্ছে ২০ টন। এখন তারা যদি তাদের উৎপাদনের সবটুকু অক্সিজেন আমাদের দেয়, তাহলে অন্য কোথাও তো আমাদের নির্ভর করতে হয় না। এখন ইস্পাত কারখানাগুলো এগিয়ে এলে ভারতের মতো আমাদের অক্সিজেন ক্রাইসিসে পড়তে হবে না, এতটা শোচনীয় অবস্থা আমাদের হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 News Vision LTD It's a TM Registered News Organization
Design & Development Freelancer Zone