"> নিউইয়র্ক ছেড়ে ফ্লোরিডা চলে যাচ্ছে মানুষ নিউইয়র্ক ছেড়ে ফ্লোরিডা চলে যাচ্ছে মানুষ – News vision
  1. admin@newsvision.us : admin :
  2. info@newsvision.us : newsvision :
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন

নিউইয়র্ক ছেড়ে ফ্লোরিডা চলে যাচ্ছে মানুষ

Reporter Name
  • পোষ্ট করেছে : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
  • ৪৮ জন দেখেছেন

নিউইয়র্ক ডেস্ক ::  যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য স্টেটের তুলনায় নিউইয়র্কের জীবনযাত্রা সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল। ট্যাক্সের বোঝাও রয়েছে বেশ। ফ্লোরিডায় ব্যয় তুলনামূলক কম। নেই স্টেট আয়কর। ফেডারেল ট্যাক্স রিটার্নে ১০ হাজার ডলার পর্যন্ত স্টেট কর ছাড়ের ব্যবস্থাও আছে। এ ছাড়া বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের এক নম্বর পর্যটন কেন্দ্র এটি। এ কারণে অনেক মানুষ নিউইয়র্ক ছেড়ে ফ্লোরিডার দিকে পাড়ি জমাচ্ছে।
নিউইয়র্কের চেয়ে ফ্লোরিডায় ভাড়াও তুলনামূলকভাবে কম (এক রুমের বাসা ৬০০ ডলার থেকে ৮০০ ডলার এবং তিন রুমের বাসা ১৮০০ ডলার)। খাবার-দাবারে ব্যয় প্রায় ৮ শতাংশ কম। ইউটিলিটি ব্যয় ৫৮ শতাংশ এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় ১৪ শতাংশ কম। বিনোদনকেন্দ্রসহ সব কিছুই খোলা। জীবনযাত্রাও বীট করা শক্ত। সারা বছর বিরাজ করে উষ্ণ আবহাওয়া। সৈকত, ওয়াটার স্পোর্টস, দৌঁড়, টেনিস, গল্ফ এমনকি হাঁটাচলাও স্বাস্থ্যকর। চাপহীন জীবনযাপনেরর অমিয় সুযোগ এই ফ্লোরিডায়।
অন্যদিকে নিউইয়র্ক স্টেট আইনসভার উভয় কক্ষই প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যবসায়ী এবং ধনী ব্যক্তিদের উপর প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার নতুন এবং বর্ধিত কর অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই প্রস্তাব পাস হলে নিউইয়র্ক স্টেট হবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক ট্যাক্সযুক্ত রাজ্য।
নিউইয়র্ক স্টেট সবেমাত্র ১০০ বিলিয়ন ডলার ফেডারেল সহায়তা পেয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি রাজ্য সরকারের কাছে ১২.৬ বিলিয়ন ডলার রয়েছে।
এরপরে আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ২০৮.৩ বিলিয়ন ডলারের বাজেট রয়েছে। এই তহবিলের অংশ বিশেষ নিউইয়র্কারদের জন্য ভাড়া ব্যয় বাবদ সহায়তা করা হবে। বিশেষ করে যাদের বেকারত্ব, ফেডারেল স্টিম্যুলাস তহবিল বা কোনো সহায়তা প্রোগ্রামের অ্যাক্সেস নেই তাদের দেয়া হবে। প্রকৃতপক্ষে এই অর্থ কেবলমাত্র সীমান্তে আসা অবৈধ অভিবাসীরাই পাবে।
নিউইয়র্কের অবস্থাটা হলো : আপনার যদি এমন কোনো বাড়ি থাকে যা আপনি কেবল ছুটি বা সাপ্তাহিক ছুটির জন্য ব্যবহার করেন বা শহরের একটি বাড়ির মালিক হন, আপনার ট্যাক্সের অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হবে। আপনি যদি রিয়েল এস্টেটের মালিক হন তবে ১৬-২০% কর বাড়ানো হবে। এর অর্থ যারা ভাড়া, বিনোদন এবং খাবারের জন্য তাদের অর্থ ব্যয় করেন, যারা আমাদের অর্থনীতিতে সহায়তা করেন, করের চাপে তারা এখন চলে যাবেন।
সমস্ত কর্পোরেট ফ্র্যাঞ্চাইজি, ইউটিলিটি এবং বীমা সংস্থাগুলোয় ১৮% নতুন ‘সারচার্জ’ আরোপ হচ্ছে – যার অর্থ আমাদের জন্য বিল বেশি হবে।
১৯৭০-এর দশকে, নিউইয়র্ক প্রায় ১ মিলিয়ন বাসিন্দা এবং তাদের অর্ধেক ফরচুন ৫০০ কোম্পানি হারিয়েছে। এবার আবার সেই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে। মেয়র ডি ব্লাসিও এবং গভর্নর ক্যুমো নিউইয়র্ককে মাটিতে নামিয়ে দিয়েছেন। এবারও প্রায় ২৫ টি বড় ফরচুন ৫০০ কোম্পানির গণপরিবর্তন হতে যাচ্ছে। ২০১৯ সালে ৭৩ টি ফরচুন ৫০০ কোম্পানি ছিল। ২০২০ সালে ছিল ৫৪ টি সংস্থা। অর্থাৎ ২০২০ সালে ১৯ টি সংস্থা হারিয়েছে নিউইয়র্ক। যদি আরও ২৫ টি ছেড়ে যায় তবে থাকবে মাত্র ২৯ টি কোম্পানি।
যদি এভাবে বিত্তবানরা নিউইয়র্ক ছেড়ে চলে যায় তবে কারা বিদ্যালয়, আবাসন ও অন্যান্য মৌলিক সংস্থানগুলোকে অর্থ সহায়তা দেবে?
নিউইয়র্ক এবং নিউইয়র্ক সিটির এখন এমন নেতা দরকার যারা মানুষ এবং ব্যবসা ফিরিয়ে আনার উপায় বোঝেন, তাদের নিরুৎসাহিত করবেন না ও তাদের দূরে সরিয়ে দেবেন না। অন্যথায় খোঁড়া লোকদের একটি শহর হয়ে পড়বে নিউইয়র্ক, যাদের করার কিছুই থাকবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 News Vision LTD It's a TM Registered News Organization
Design & Development Freelancer Zone