"> বাজেটের আগে আরেক দফা বাড়ল তেল-পেঁয়াজের দাম বাজেটের আগে আরেক দফা বাড়ল তেল-পেঁয়াজের দাম – News vision
  1. admin@newsvision.us : admin :
  2. info@newsvision.us : newsvision :
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন

বাজেটের আগে আরেক দফা বাড়ল তেল-পেঁয়াজের দাম

নিউজ ভিশন ডেস্ক ::
  • পোষ্ট করেছে : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ১৪ জন দেখেছেন

করোনা মহামারির মধ্যে ভোজ্যতেল ও পেঁয়াজের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। অবশ্য রমজান মাসের শেষ দিকে দাম কিছুটা কমে আসে। কিন্তু ঈদের পর নতুন করে দাম বেড়েছে। তবে দাম বাজেটের আগে আরেক দফা বাড়ল ।

গত এক সপ্তাহে পাইকারি বাজারে খোলা সয়াবিনের দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা এবং পাম ও সুপার পাম তেলের দাম আড়াই টাকা বেড়েছে। পেঁয়াজের দামও কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেল আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তেমন হেরফের নেই অন্যান্য পণ্যের দামে।

সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় সয়াবিনের দাম প্রতি মণে ৪০০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া পাম ও সুপার পাম তেলের দাম ১০০ টাকা বেড়েছে। এ হিসাবে কেজিতে পাঁচ টাকার বেশি পড়ে।

পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে পাইকারিতে প্রতি মণ সয়াবিন বিক্রি হয়েছে চার হাজার ৮০০ টাকায়। এতে করে লিটার প্রতি পাইকারি দাম ১১৭ টাকা। ঈদের আগে মণ ছিল চার হাজার ৪০০ টাকা। এ ছাড়া পাম ও সুপার পাম তেল যথাক্রমে চার হাজার ৩০০ ও চার হাজার ৪৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা জানান, করোনার কারণে তেলের বাজারে অস্থিরতা চলছে। ঈদের ছুটি শেষ হতে না হতেই প্রায় সব কোম্পানি সব ধরনের খোলা ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। পাইকারিতে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। খুচরায় প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১২২ থেকে ১২৫ এবং পাম ও সুপার পাম ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জানা যায়, ঈদের আগে দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করে ট্যারিফ কমিশনকে জানিয়েছিল কোম্পানিগুলো। তখন রমজানে দাম না বাড়ানোর পরামর্শ দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা সমকালকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারদর বেশি থাকায় আগের দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে আমদানি করা পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বেড়েছে। এখন দেশি পেঁয়াজ খুচরায় আবারও ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচাবাজারে সবজি ও মাছ-মাংসের দাম আগের সপ্তাহের মতো আছে বলে জানান বিক্রেতারা। মিরপুর-১ নম্বর বাজারের মাছ বিক্রেতা ফারুক হোসেন বলেন, ঈদের ছুটিতে চাহিদা ও সরবরাহ উভয়ই কম। ফলে দামে তেমন হেরফের হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 News Vision LTD It's a TM Registered News Organization
Design & Development Freelancer Zone